শিরোনাম
৬ ইউনিয়ন নিয়েই উত্তর সাতকানিয়া থানা, অন্য এলাকা নয় ৩৫ বছর ধরে বসবাস, উচ্ছেদে বাধা: সীতাকুণ্ডে রেলওয়ের অভিযান স্থগিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ থেকে এখন ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’—এ্যানি অটোমেশনের পথে চট্টগ্রাম বন্দর, তবু কমছে না হয়রানি টেন্ডারে বাদ, পরে অপারেটর—কীভাবে? কুতুবদিয়া-বহির্নোঙরে জাহাজ বরাদ্দ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন বিরোধ পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর বায়েজিদ লিংক রোড থেকে ৮ হাজার ২৮৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের চন্দনাইশ পৌরসভার খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন, চিহ্নিত ৯ ওয়ার্ডের নানা সমস্যা পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, রেল যোগাযোগ বন্ধ
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন

দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর বন্দরে কথিত অবৈধ আস্তানায় অগ্নিসংযোগ, উচ্ছেদ করলেন এলাকাবাসী

এলাকাবাসীর দাবি—দীর্ঘদিনের অভিযোগের অবসান / ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানাধীন এছহাক ডিপো টোল সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে কথিত একটি অবৈধ আস্তানায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ওই স্থানে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছিল। এর প্রতিবাদে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে মিছিলসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থাপনাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সেখানে কোনো বৈধ বসতবাড়ি ছিল না। বরং অস্থায়ীভাবে গড়ে তোলা ওই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল বলে তাদের অভিযোগ। বিশেষ করে ট্রাক ও কন্টেইনারবাহী চালক এবং হেলপারদের বিভিন্নভাবে প্রলোভন ও প্রতারণার মাধ্যমে সেখানে নিয়ে যাওয়া হতো বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তৃতীয় লিঙ্গের শ্রাবন্তী নামে পরিচিত এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। শেষ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কথিত অবৈধ স্থাপনাটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাসে একই ব্যক্তিকে ঘিরে একটি ঘটনায় চার পথশিশু উদ্ধার এবং পাঁচজন গ্রেপ্তারের সংবাদ দৈনিক আজাদীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় প্রকাশিত সংবাদে মানবপাচার ও শিশুদের শোষণসংক্রান্ত অভিযোগে মামলার তথ্য উঠে আসে।

স্থানীয়দের দাবি, অতীতের সেই ঘটনার পরও এলাকায় কথিত অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তাই দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই সর্বশেষ এই উচ্ছেদ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ